1. badsha.dru@gmail.com : admi2017 :
  2. nadibandar2020@gmail.com : Nadi Bandar : Nadi Bandar
বঙ্গবন্ধুর রাজনীতির মূল লক্ষ্য ছিল মানুষের প্রতি ভালবাসা: স্পিকার - Nadibandar.com
সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৫০ অপরাহ্ন
নদী বন্দর প্রতিনিধি:
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১৮ মার্চ, ২০২১
  • ১৬৮ বার পঠিত

জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দর্শন ছিল শোষণ ও বৈষম্যমুক্ত সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠা করা। বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারণ করে তরুণ নেতৃত্ব ভবিষ্যৎ সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলতে কাজ করবে— এই হোক বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকীর প্রত্যয়। বঙ্গবন্ধুর রাজনীতির মূল লক্ষ্য ছিল মানুষের প্রতি ভালবাসা। তিনি কখনো অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেননি।

বৃহস্পতিবার (১৮ মার্চ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয় সংসদ সচিবালয় আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

ড. শিরীন শারমিন বলেন, স্বল্প সময়ের মধ্যে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনে বঙ্গবন্ধু দূরদৃষ্টি ও গভীর প্রজ্ঞাসম্পন্ন সার্বিক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিলেন। শোষণ-বৈষম্য-নির্যাতন-নিপীড়ন থেকে বাংলার মানুষকে মুক্তি দেয়াই ছিল তার একমাত্র লক্ষ্য। ১৯৭৪ সালে বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ স্থাপন তার উন্নত স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ে তোলার অন্যতম পদক্ষেপ।

স্পিকার বলেন, জাতির পিতার অসমাপ্ত কাজ তারই সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাস্তবায়ন করে চলেছেন। প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নেতৃত্বে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও জাতির পিতার জন্মবার্ষিকীর মাহেন্দ্রক্ষণে সকল সূচক পূরণ করে স্বল্পোন্নত দেশের কাতার থেকে বেরিয়ে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে দেশ উন্নীত হয়েছে। নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, নারীর ক্ষমতায়নে রোল মডেল, রেমিট্যান্স থেকে শুরু করে প্রতিটি ক্ষেত্রে অনেক সফলতা অর্জন সম্ভব হয়েছে।

এ সময় ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়া বলেন, বঙ্গবন্ধু যা বিশ্বাস করতেন তাই ৭ মার্চের ভাষণে ঘোষণা দিয়েছিলেন এবং তারই নেতৃত্বে যুদ্ধ জয় করে আমরা পেয়েছি স্বাধীন বাংলাদেশ এবং অনন্য সংবিধান।

চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী বলেন, বঙ্গবন্ধু তার বিশালত্ব দিয়ে সব নেতাকর্মীকে ভালবাসতেন এবং সঠিক সময়ে সঠিক দিক-নির্দেশনা দিতেন। এরই ফলশ্রুতিতে তিনি মহান নেতা হয়ে উঠেছিলেন।

হুইপ ইকবালুর রহিম বলেন, বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ অবিচ্ছেদ্য অংশ। বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে স্বাধীন বাংলাদেশ হতো না। এই বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি, সেনাপ্রধান, সচিবসহ উচ্চ পর্যায়ের কোনো পদেই বাঙালিরা অধিষ্ঠিত হতে পারতেন না।

হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০ জানুয়ারি স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পর আমাদের স্বাধীনতা পূর্ণতা পায়। পরবর্তীতে, বঙ্গবন্ধুর চৌকষ নেতৃত্বে ভারতীয় মিত্রবাহিনী বাংলাদেশ থেকে ফেরত গেলে স্বাধীনতা আরও চৌকস অর্থবহ হয়ে ওঠে।

সংসদের সিনিয়র সচিব ড. জাফর আহমেদ খানের সভাপতিত্বে সভায় সংসদ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী ফোরামের সিনিয়র সহ-সভাপতি উপসচিব এস এম মঞ্জুর কবিতা আবৃত্তি, সহ-সভাপতি পরিচালক তারিক মাহমুদ ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ থেকে পাঠ, উপ-পরিচালক সামিয়া রুবাইয়াত হোসাইন ‘কারাগারের রোজনামচা’ থেকে পাঠ করেন। অনুষ্ঠানে ফোরামের সভাপতি উপসচিব এ কে এম জি কিবরিয়া মজুমদার, সাধারণ সম্পাদক সহকারী সচিব আসিফ হাসান, সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল খায়ের উজ্জ্বল প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

নদী বন্দর / পিকে

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2020 Nadibandar.Com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com