1. badsha.dru@gmail.com : admi2017 :
  2. nadibandar2020@gmail.com : Nadi Bandar : Nadi Bandar
চেকপোস্টে কোথাও আছে পুলিশ, কোথাও নেই - Nadibandar.com
রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১০ পূর্বাহ্ন
নদী বন্দর প্রতিনিধি:
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২২ এপ্রিল, ২০২১
  • ১১৭ বার পঠিত

প্রথম দফার লকডাউন শেষে ২২ এপ্রিল থেকে শুরু হয়েছে দ্বিতীয় দফার লকডাউন। প্রথম দফায় রাজধানীবাসীকে লকডাউন মানাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কঠোর ভূমিকায় ছিল। তবে দ্বিতীয় দফার এসে তেমনটি আর দেখা যায়নি।

বৃহস্পতিবার (২২ এপ্রিল) সকাল থেকে রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে দেখা যায়,
বেশিরভাগ মানুষই জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের হয়েছেন। আবার অনেকেই মুভমেন্ট পাস না নিয়েই বের হয়েছেন।

রাজধানীর ফার্মগেট মোড়ে প্রথম সপ্তাহে কঠোর লকডাউনে চেকপোস্টে পুলিশের ভূমিকা ছিল খুবই কড়াকড়ি। চেকপোস্ট দিয়ে একটি গাড়িও পুলিশের চেকিং ছাড়া বের হতে পারেনি। কিন্তু দ্বিতীয় দফার লকডাউনে পুলিশের কড়াকড়ি তো দূরের কথা, চেকপোস্টে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়নি।

ফার্মগেট মোড়ে দায়িত্বরত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তেজগাঁও জোনের একজন সার্জেন্ট বলেন, আমরা মাত্রই চেকপোস্ট থেকে এসে বসেছি। আগের সপ্তাহে যেমন মানুষ মুভমেন্ট পাস ছাড়া বের হয়েছিল কিন্তু আজকে তা দেখা যাচ্ছে না। শতকরা ৯০ ভাগ মানুষই মুভমেন্ট পাস নিয়ে বের হয়েছেন।

রাজধানীর ব্যস্ততম কারওয়ান বাজার মোড়েও পুলিশের চেকপোস্ট চোখে পড়েনি। গাড়ির সিগন্যাল দেয়ার জন্য দুই-তিনজন পুলিশ সদস্য দাঁড়িয়ে থাকলেও কোনো গাড়ি চেক করতে দেখা যায়নি।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, রাজধানীর কল্যাণপুর, শ্যামলী, আসাদগেট, মোহাম্মদপুর, ঢাকা উদ্যান, ধানমণ্ডি, বাংলামটর, শাহবাগ ও কাকরাইলে একই চিত্র।

তবে রাজধানীর কিছু চেকপোস্টে কড়াকড়ি দেখা গেছে। এর মধ্যে, মিরপুর, গাবতলি, ঢাকা কলেজ মোড়ে চেকপোস্ট, পল্টন মোড়, মতিঝিল ও গুলিস্তান রয়েছে।

jagonews24

পল্টন মোড়ে দায়িত্বরত মতিঝিল জোনের ট্রাফিক সার্জেন্ট মো. আরেফিন আকন্দ বলেন, গত সপ্তাহের চেয়ে এই সপ্তাহে মানুষ বেশি বের হলেও বেশিরভাগই মুভমেন্ট পাস নিয়ে বের হচ্ছে। ২০টি গাড়ির মুভমেন্ট পাস চেক করলে ১৯টি গাড়িতেই পাস পাওয়া যাচ্ছে। মানুষ আগের চেয়ে সচেতন হয়েছে। বের হলে অন্তত মাস্ক পরে বের হচ্ছে এবং সঙ্গে মুভমেন্ট পাস রাখছে।

করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ মারাত্মক আকার নেয়ায় সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সরকার প্রথমে ৫ এপ্রিল থেকে সাত দিনের জন্য গণপরিবহন চলাচলসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ জারি করেছিল। পরে তা আরও দুদিন বাড়ানো হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসায় ১৪ থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত আরও কঠোর বিধিনিষেধ দিয়ে সর্বাত্মক লকডাউন শুরু হয়।

বর্তমানে লকডাউনে সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। তবে বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থলবন্দর এবং এ-সংক্রান্ত অফিসগুলো এই নিষেধাজ্ঞার আওতার বাইরে থাকবে।

এদিকে প্রথমে ব্যাংক বন্ধের ঘোষণা দিলেও পরে তা আবার খোলার সিদ্ধান্ত হয়। আর শিল্পকারখানাগুলো নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় চালু রয়েছে।

এদিকে, গতকাল বুধবার করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সারাদেশে আরও ৯৫ জনের মৃত্যু হয়। তাদের মধ্যে ৫৯ জন পুরুষ ও ৩৬ জন নারী। এ নিয়ে করোনাভাইরাসে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ১০ হাজার ৬৮৩ জন।

একই সময়ে করোনাভাইরাসে নতুন আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয় আরও চার হাজার ২৮০ জন। এ নিয়ে মোট আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা সাত লাখ ৩২ হাজার ৬০ জন।

নদী বন্দর / জিকে

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2020 Nadibandar.Com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com