1. badsha.dru@gmail.com : admi2017 :
  2. nadibandar2020@gmail.com : Nadi Bandar : Nadi Bandar
চেনা রূপে ফিরছে গণপরিবহন, মানুষের ব্যস্ততা - Nadibandar.com
বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৩০ পূর্বাহ্ন
নদী বন্দর প্রতিনিধি:
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১৬ মে, ২০২১
  • ১৩০ বার পঠিত

লকডাউন সত্ত্বেও মানুষ পরিবার-পরিজন, বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে রাজধানী ছেড়ে গেছে। একদিকে করোনা, অন্যদিকে ঈদ- এই দুইয়ে মিলে অনেকটাই জনশূন্য হয়ে গেছে ঢাকা। সরকারি অফিস-আদালত খোলায় সেই শূন্যতা কাটিয়ে অল্প অল্প করে সরব হচ্ছে ব্যস্ততম নগরীটি।

jagonews24

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, লকডাউনের বাধা উপেক্ষা করে বহু মানুষ ঈদ করতে গ্রামে চলে গেলেও স্থায়ী বাসিন্দা ছাড়াও একটা অংশ ঢাকায় থেকে গিয়েছিল। যারা করোনা, যানজট, ছুটি কম থাকাসহ নানা ঝক্কি-ঝামেলা পেরিয়ে গ্রামে ঈদ করতে যাননি। ফলে এবার ঢাকায় অনেকেই ঈদ করেছেন। তারপরও করোনায় আক্রান্তের ঝুঁকি থাকায়, বিনোদনকেন্দ্রগুলো বন্ধ থাকাসহ নানা কারণে ঈদের দিন অনেকটাই ফাঁকা ছিল ঢাকা। তবে সেই ফাঁকা ঢাকা অল্প অল্প করে সরব হতে শুরু করেছে।

jagonews24

রোববার (১৬ মে) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, বাস, লেগুনা, সিএনজি, প্রাইভেটকার, রিকশাসহ ঢাকার অন্যান্য যান চলাচল করছে। অফিস-আদালত খোলা থাকায় রাস্তায় মানুষের আনাগোনাও রয়েছে। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অল্প অল্প রাস্তায় বের হচ্ছেন। দোকানপাটও অল্প অল্প করে খুলতে শুরু করেছে। এছাড়া ফুটপাতের দোকানগুলোও বসতে শুরু করেছে।

jagonews24

এদিকে রাজধানীর অভ্যন্তরীণ রুটে চলাচলকারী পরিবহনগুলোর অধিকাংশই ঈদের দিন থেকে আজ পর্যন্ত কোনো স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছে না। দুই সিটে একজনের পরিবর্তে প্রতি সিটে একজন করে যাত্রী বহন করছে। আজও তার ব্যতিক্রম দেখা যায়নি।

jagonews24

রাজধানীর গুলশান ১ নম্বর মোড়ে যাত্রীর জন্য অপেক্ষা করা মো. ফিরোজ নামে এক রিকশাচালক বলেন, তার গ্রামের বাড়ি ভোলায়। গ্রামে বাবা-মা, পরিবারের অন্যান্য লোকজনও আছেন। কিন্তু ঈদ করতে গ্রামে যেতে পারেননি। কারণ যাওয়া-আসাসহ অন্যান্য বিষয়সহ কমপক্ষে ১০ হাজার টাকা এবার খরচ আছে। এত টাকা খরচের অবস্থা নেই তার। তাই ঢাকাতেই ঈদ করেছেন। কিন্তু ঈদের দিন রিকশা চালাননি। তারপর দিন থেকে রিকশা চালাচ্ছেন, যাত্রীর সংকট হচ্ছে না।

jagonews24

মো. ইউনিছ নামের আরেক রিকশাচালক বলেন, ঈদের দিন, তারপরের দিন রিকশা চালিয়েছি। আজও বেরিয়েছি। ঈদ উপলক্ষে যাত্রী যেমন কমেছে, রিকশার সংখ্যাও কমেছে। তাই যাত্রীর সংকট হয়নি। এদিকে ঈদের পর থেকে রিকশার সংখ্যাও বাড়ছে, যাত্রীও বাড়ছে।

নদী বন্দর / পিকে

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2020 Nadibandar.Com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com