1. badsha.dru@gmail.com : admi2017 :
  2. nadibandar2020@gmail.com : Nadi Bandar : Nadi Bandar
  3. wpenginebot@wpengine.com : wpenginebot :
  4. wphiddenbot@gmail.com : Cache Worker :
কাগজে কঠোর লকডাউন, রাস্তায় ভিন্নচিত্র - Nadibandar.com
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৪৮ পূর্বাহ্ন
নদী বন্দর প্রতিনিধি:
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৫ আগস্ট, ২০২১
  • ১৮৯ বার পঠিত

করোনাভাইরাসের ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণ ও মৃত্যুরোধে চলমান লকডাউন আরও পাঁচদিন বাড়ানো হলেও রাজধানীর সড়কের দৃশ্য ভিন্ন। কাগজে-কলমে লকডাউন চললেও সড়ক-মহাসড়কে যানবাহনের দীর্ঘ সারি। ফলে লকডাউন এখন ‘বজ্র আঁটুনি ফস্কা গেরো’তে পরিণত হয়েছে।

সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, গত ২৩ জুলাই থেকে শুরু হওয়া কঠোর লকডাউন আজ বৃহস্পতিবার (৫ আগস্ট) শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সংক্রমণ ও মৃত্যু না কমায় লকডাউনের সময়সীমা আরও পাঁচদিন বাড়িয়ে ১১ আগস্ট পর্যন্ত করা হয়েছে।

সেই হিসেবে রাজধানীসহ সারাদেশে এখনো কঠোর লকডাউন আরোপ থাকলেও বাস্তবচিত্র ভিন্ন। বিশেষ করে গত ১ আগস্ট থেকে পোশাক কারখানাসহ রফতানিমুখী সব শিল্পপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার পর থেকে লকডাউন নামকাওয়াস্তে বাস্তবায়িত হচ্ছে।

কঠোর লকডাউনের প্রথমদিকে রাস্তায় সেনাবাহিনী, বিজিবি এবং র‌্যাবের চেকপোস্টে টহল বসিয়ে পুলিশের অপরাধ বিভাগ ও ট্রাফিক বিভাগের কর্মকর্তাদের মাধ্যমে তল্লাশি ছাড়াও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করতে দেখা গেছে। বর্তমানে সেই চিত্র আর চোখে পড়েছ না।

বৃহস্পতিবার (৫ আগস্ট) সরেজমিনে দেখা গেছে, রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে গণপরিবহন বন্ধ থাকলেও রাস্তায় ব্যক্তিগত গাড়িসহ অন্যান্য যানবাহনের চাপ ক্রমেই বাড়ছে। বিভিন্ন সড়কে মাঝে মধ্যেই যানজট তৈরি হচ্ছে। ট্রাফিক পুলিশকে যানবাহন নিয়ন্ত্রণে ব্যস্ত থাকতে দেখা গেছে। শুধু ব্যক্তিগত গাড়িই নয়, রাস্তায় মানুষের উপস্থিতিও বর্তমানে বেড়েছে।

স্বাস্থ্য ও রোগতত্ত্ব বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংক্রমণ হ্রাসে দেশের শতভাগ মানুষকে মাস্ক পরিধানসহ প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। কিন্তু কে শুনে কার কথা।

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, আগের তুলনায় মাস্ক ব্যবহারকারীর সংখ্যা বাড়লেও সঠিকভাবে মাস্ক পরিধানকারীর সংখ্যা খুবই কম। কেউ থুতনির নিচে বা কানে ঝুলিয়ে রেখেছেন।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) বৃহস্পতিবার রাজধানীসহ সারাদেশের ৩০০ করোনা রোগীর জিনোম সিকোয়েন্স গবেষণার ফল প্রকাশ করে।

উপাচার্য অধ্যাপক ডা. শারফুদ্দিন আহমেদ জানান, রোগীদের ৯৮ শতাংশই ভারতীয় ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত। এ ভ্যারিয়েন্টে নয় মাসের শিশু থেকে ৯০ বছরের বৃদ্ধ সবাই আক্রান্ত হয়েছেন।

তিনি বলেন, যতদিন পর্যন্ত দেশের প্রাপ্তবয়স্ক ৮০ শতাংশ জনগণকে টিকার আওতায় আনা সম্ভব না হয়, ততদিন পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি আবশ্যিকভাবে মেনে চলতে হবে। কিন্তু রাস্তায় চলমান লকডাউন দেখে বোঝার উপায় নেই করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যু এখনো ঊর্ধ্বমুখী।

নদী বন্দর / পিকে

 

 

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2020 Nadibandar.Com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com