1. badsha.dru@gmail.com : admi2017 :
  2. nadibandar2020@gmail.com : Nadi Bandar : Nadi Bandar
  3. wpenginebot@wpengine.com : wpenginebot :
  4. wphiddenbot@gmail.com : Cache Worker :
৩২ মাসে শাস্তি পেয়েছেন প্রশাসনের ৫৫ কর্মকর্তা - Nadibandar.com
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:০০ অপরাহ্ন
নদী বন্দর প্রতিনিধি:
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ১৩৪ বার পঠিত

বর্তমান সরকারের মেয়াদে ২০১৯ সালের ৭ জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রশাসনের ৫৫ জন কর্মকর্তাকে লঘু ও গুরুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে ৪৯টি মামলা চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।

মঙ্গলবার (৭ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে গণমাধ্যম কেন্দ্রে ‘বিএসআরএফ সংলাপ’ অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান প্রতিমন্ত্রী। বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) এ সংলাপের আয়োজন করে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০১৯ সালের ৭ জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রশাসন ক্যাডারের ৫৫ জন কর্মকর্তাকে লঘু ও গুরুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আর শৃঙ্খলা ভঙ্গের জন্য ৪৯টি মামলা চলমান রয়েছে।

সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে রাজনীতিকদের মতানৈক্য নিয়ে এক প্রশ্নে ফরহাদ হোসেন বলেন, কয়টি ঘটনা ঘটেছে সেটা দেখা দরকার। বরিশালে বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে। করোনার মধ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। অত্যন্ত আন্তরিকভাবে জনপ্রতিনিধি ও সরকারি কর্মকর্তারা কাজ করে যাচ্ছেন। আমরা বেশি জনমুখী হয়েছি। দু’এক জায়গায় যে ঘটনা ঘটেছে তদন্ত করে বিষয়গুলো বোঝার চেষ্টা করছি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, এসিল্যান্ড অফিসে অনেক ঝামেলা ছিল, এখন ডিজিটালাইজেশনের কারণে সেই ঝামেলা নেই। এখন ৯৫ শতাংশ কর্মকর্তাই সফল হচ্ছে। ৫ শতাংশ কর্মকর্তা কমিউনিকেশেনের জন্য… সুন্দর করে বললে এমন হতো না। কাউকেই তার আইনি এখতিয়ারের বাইরে আচরণ করা উচিত না।

 

আরেক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারি কর্মকর্তাদের স্যার বা ম্যাডাম বলতে হবে এমন কোনো রীতি নেই। স্যার শব্দের বাংলা অর্থ মহোদয়, আর ম্যাডাম শব্দের অর্থ মহোদয়া। রুলস অব বিজনেসে এটা নেই।

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কীভাবে কাজ করতে হবে- সে বিষয়ে বঙ্গবন্ধুর নির্দেশনাগুলো তুলে ধরেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, জাতির পিতার নির্দেশনা ছিল যারা সেবা নিতে আসেন তাদের দিকে তাকাও, তারা তোমার বাবার মতো, ভাইয়ের মতো, আত্মীয়ের মতো। সেবা নিতে আসে জনগণ। তাদের টাকায় তোমাদের বেতন হয়।

‘বঙ্গবন্ধুর নির্দেশনা আমরা বাস্তবায়ন করতে চাই। বিভাগীয় কমিশনার থেকে মাঠ প্রশাসনকে আমরা সেই নির্দেশনা দেই। জনগণের সঙ্গে মিশে যেতে হবে। সেক্ষেত্রে এখানে কোনো ভেদাভেদ থাকবে না। হাসিমুখের অ্যাটিচিউটটা খুব ইমপরটেন্ট। দুর্ব্যবহার দুর্নীতির শামিল, এটা কখনো করা যাবে না। আইনের মধ্যে থেকে সাধ্যমতো সেবা দেওয়ার অ্যাটিচিউড থাকতে হবে। কর্মকর্তারা যাতে এটি মেনে চলেন’ বলেন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।

নদী বন্দর / জিকে

 

 

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2020 Nadibandar.Com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com