1. badsha.dru@gmail.com : admi2017 :
  2. nadibandar2020@gmail.com : Nadi Bandar : Nadi Bandar
  3. wpenginebot@wpengine.com : wpenginebot :
প্রতিটি হাসপাতালে ডায়রিয়া-কলেরা ইউনিট তৈরির নির্দেশ দিয়েছি - Nadibandar.com
বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৪২ অপরাহ্ন
ঢাকা প্রতিনিধি:
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২৬ জুন, ২০২২
  • ১৩৩ বার পঠিত

প্রতিটি জেলা ও উপজেলা হাসপাতালে কলেরা-ডায়রিয়া ইউনিট চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেন, সরকার সংক্রমণ প্রতিরোধ ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি পর্যাপ্ত চিকিৎসার ব্যবস্থাও করেছে।

রোববার (২৬ জুন) বিকেলে মহাখালীর আইসিডিডিআর,বিতে কলেরা টিকা কার্যক্রম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এক সময় কলেরা ও ডায়রিয়ায় হাজার হাজার মানুষ মারা যেতো। এখন তা হয় না। এর পেছনে সরকার ও আইসিডিডিআর,বির গুরুত্বপূর্ণ অবদান আছে। সরকার সারাদেশে নিরাপদ পানি ও স্যানিটারির ব্যবস্থা করেছে। সরকার সংক্রমণ প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি পর্যাপ্ত চিকিৎসার ব্যবস্থাও করেছে। আমরা প্রতিটি জেলা ও উপজেলা হাসপাতালে কলেরা-ডায়রিয়া ইউনিট চালুর নির্দেশ দিয়েছি।

জাহিদ মালেক বলেন, আমরা সব বয়সের মানুষকে ডায়রিয়ার ওরাল ভ্যাকসিন দেবো। ঢাকার সংক্রমণ প্রবণ পাঁচটি এলাকার ২৩ লাখ মানুষকে এই টিকা দেবো। আমরা প্রথমবারের মতো দেশে এই ভ্যাকসিন দেবো। এর আগে ট্রায়ালে যে সব এলাকায় টিকা দিয়েছি সেখানে কলেরার প্রাদুর্ভাব একদম কমে গেছে। আমরা সংক্রামক রোগগুলো প্রতিরোধে অনেকাংশেই সফল। এখন শুধু সিজনাল রোগ হিসেবে নির্দিষ্ট সময়ে এসব রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা যায়।

তিনি বলেন, আমরা স্বাস্থ্য গবেষণার ওপর গুরুত্ব দিয়েছি। এ বছরের বাজেটে আমরা ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রেখেছি। আইসিডিডিআর,বি অধিকাংশ গবেষণা করে। এছাড়া বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য আরও অনেক প্রতিষ্ঠান গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

‘বিদেশে যাওয়া শ্রমিকদের আমরা করোনার টিকা দিয়েছি। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো শ্রমিকদের কলেরার টিকা দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেছেন, আমাদের অনেক শ্রমিকের মধ্যে কলেরার জীবাণু পাওয়া গেছে। আমরা তাদেরও কলেরার টিকা দেবো।’

সম্প্রতি করোনার সংক্রমণ বেড়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, আমরা আতংকিত না হলেও সতর্ক অবস্থায় রয়েছি। আমরা বেশি বেশি করোনা পরীক্ষার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছি। আমরা দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া প্রায় শেষ করেছি। আজকের মধ্যে ৭০ ভাগ নাগরিকের দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া শেষ হবে। বুস্টার ডোজ নেওয়ার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।
অনুষ্ঠানে কলেরা টিকা প্রসঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম বলেন, বিভিন্ন দেশ থেকে শ্রমিকদের কলেরা ভ্যাকসিনের দেওয়ার দাবি জানিয়েছে। আপাতত তাদের কলেরা নেই, সনদ প্রদান করে বিদেশে পাঠাচ্ছি। ভবিষ্যতে আমরা শ্রমিকদের কলেরা ভ্যাকসিন দিয়ে দেশে বাইরে পাঠাবো।

তিনি বলেন, সব ডায়রিয়া বা সবসময় কলেরা মৃত্যু ঘটায় না। একসময় গ্রামের পর গ্রাম কলেরায় উজাড় হয়ে যেতো। এখন সেই অবস্থা নেই। অতীতে যেসব এলাকায় সংক্রমণ দেখা দিয়েছিল আমরা সেসব এলাকায় কলেরা টিকা দিয়েছি। এবার যেহেতু রাজধানীর কয়েকটি এলাকায় কলেরার সংক্রমণ দেখা দিয়েছে। তাই আমরা এসব এলাকায় টিকা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছি।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার ডেপুটি ডিরেক্টর ডা. মো. শফিকুল ইসলাম, ডা. মু. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার, ও আইসিডিডিআর,বির নির্বাহী পরিচালক ড. তাহামিদ আহমেদ, সিনিয়র সায়েন্টিস্ট ও ইনফেকশন ডিজিজ ডিভিশনের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ড. ফেরদৌসী কাদরী প্রমুখ।

নদী বন্দর/এবি

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2020 Nadibandar.Com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com