মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী অ্যাডভোকেট শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, জিয়াউর রহমানের হুকুমে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছিল। তার প্রমাণ হত্যা পরবর্তী সময়ে পাওয়া গেছে। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার ৯ দিনের মধ্যেই সেনাপ্রধান হয়েছিলেন জিয়াউর রহমান। এটাই প্রমাণিত হয়, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জিয়াউর রহমান কতটা যুক্ত ছিলেন।
বুধবার (৩১ আগস্ট) খুলনা জেলা সাংবাদিক ফোরাম ঢাকা আয়োজিত জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
আয়োজক সংগঠনের সভাপতি ফসিহ উদ্দিন মাহতাবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন নিউজ টোয়েন্টিফোর এর বার্তা প্রধান রাহুল রাহা, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সহ-সভাপতি আজমল হক হেলাল, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ শুকুর আলীর শুভ, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম হাসিব, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক এ জিহাদুর রহমান জিহাদ, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ জামাল হোসাইন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সাজু রহমান।
রেজাউল করিম বলেন, সংগঠন ঠিক থাকলে সব ঠিক থাকবে আর সংগঠন ঠিক না থাকলে কিছুই থাকবে না। বঙ্গবন্ধু হত্যার পর সংগঠন যেভাবে থাকার দরকার ছিল সেভাবে ছিল না। শেখ হাসিনা যদি ফিরে না এসে হাল ধরতেন তাহলে আজকের এই দিন আমরা ফিরে পেতাম না। দেশের এই উন্নয়ন অগ্রগতিও হতো না।
তিনি বলেন, দীর্ঘদিন পরে হলেও বঙ্গবন্ধু হত্যার খণ্ডিত বিচার হয়েছে। তবে এই বিচারে আত্মতৃপ্তির কোন সুযোগ নেই। কেননা এখনো এই হত্যার নেপথ্যে যারা ছিলেন তাদের চিহ্নিত করে এখনো বিচারের মুখোমুখি করা হয়নি। এই হত্যার কুশীলব ছিলেন তাদের জাতির সামনে এখনো উপস্থাপন করতে পারিনি।
তিনি আরও বলেন, হত্যাকারীদের দেশের বাইরে পুনর্বাচিত করেছিলেন জিয়াউর রহমান এবং এরশাদ এদের রাজনৈতিকভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। এবং বঙ্গবন্ধু হত্যাকারীদের বিচার করা যাবে না সেই আইন করেছিলেন জিয়া। বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার না হওয়া, খুনিদের পুনর্বাসন, ক্ষমতায় বসানো এই সব কিছুই করা হয়েছিল বঙ্গবন্ধু হত্যার পরে জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে।
শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসে নেতৃত্ব দিয়ে একটি বিপর্যস্ত- বিধ্বস্ত দেশের হাল ধরে আজ বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। আমাদের সব সময় মাথায় রাখতে হবে শেখ হাসিনা না থাকলে উন্নয়ন হবে না, পদ্মা সেতু হবে না, শেখ হাসিনা না থাকলে দেশ আবারও পিছনে চলে যাবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, খুলনা জেলার সাংবাদিক ফোরাম ঢাকার যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল্লাহ ওয়াজ, দপ্তর সম্পাদক জোনায়েদ আলী সাকি, অর্থ সম্পাদক জাকির হোসেন। সংগঠনিক সম্পাদক তরিকুল ইসলাম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক কামরুল ইসলাম।
নদী বন্দর/এসএম