1. badsha.dru@gmail.com : admi2017 :
  2. nadibandar2020@gmail.com : Nadi Bandar : Nadi Bandar
হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে পঞ্চম দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে - Nadibandar.com
বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:০১ অপরাহ্ন
নদীবন্দর, ঢাকা
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৫
  • ৩৪ বার পঠিত

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের বিরুদ্ধে পঞ্চম দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে।

সোমবার (১৮ আগস্ট) বেলা ১১টার কিছু পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ এ কার্যক্রম শুরু হয়। ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে গঠিত তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ শুনানি পরিচালনা করছেন।

এদিন আদালতে তিনজন নতুন সাক্ষী তাদের জবানবন্দি দিচ্ছেন। তারা হলেন—শহীদ ইমাম হাসান তাইমের ভাই রবিউল, প্রত্যক্ষদর্শী জসিম ও আন্দোলনের কর্মী এনাম।

এর আগে, গত ১৭ আগস্ট চারজন সাক্ষী আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। তারা হলেন, সবজি বিক্রেতা আবদুস সামাদ, শিক্ষার্থী নাঈম শিকদার, মিজান মিয়া এবং শহীদ সাজ্জাদ হোসেন সজলের মা শাহীনা বেগম। তাদের প্রত্যেকেই জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে সংঘটিত ঘটনাগুলোর ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেন এবং অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।

সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আসামিপক্ষের রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মো. আমির হোসেন তাদের জেরা করেন।

এর আগে, ৬ আগস্ট তৃতীয় দিনের শুনানিতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন রিনা মুর্মু ও একেএম মঈনুল হক। তারা নিজেদের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা থেকে আন্দোলনের সময়কার সহিংসতা ও নিপীড়নের বর্ণনা দেন।

৪ আগস্ট দ্বিতীয় দিনের সাক্ষ্যগ্রহণে অংশ নেন পঙ্গু হওয়া শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ আল ইমরান ও চোখ হারানো দিনমজুর পারভীন। তারা শেখ হাসিনাসহ সংশ্লিষ্টদের দায়ী করে আদালতের কাছে সর্বোচ্চ সাজার আবেদন জানান।

প্রথম দিনের শুনানি হয় ৩ আগস্ট। ওই দিন আহত খোকন চন্দ্র বর্মণ সাক্ষ্য দেন। তার বক্তব্যের মধ্য দিয়েই মামলার আনুষ্ঠানিক শুনানি শুরু হয়।

এ মামলায় শেখ হাসিনা, আসাদুজ্জামান খান কামাল ও চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মোট পাঁচটি অভিযোগ আনা হয়েছে।

গত ১০ জুলাই ট্রাইব্যুনাল আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আদেশ দেয়।

প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মামলার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ ৮ হাজার ৭৪৭ পৃষ্ঠার। এর মধ্যে তথ্যসূত্র ২ হাজার ১৮ পৃষ্ঠার, জব্দতালিকা ও প্রমাণাদি ৪ হাজার ৫ পৃষ্ঠার এবং শহীদদের তালিকার বিবরণ রয়েছে ২ হাজার ৭২৪ পৃষ্ঠায়।

এই মামলায় মোট ৮১ জন সাক্ষী রয়েছেন। এ পর্যন্ত ৯ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন।

মামলার অন্য দুই আসামির মধ্যে সাবেক আইজিপি মামুনকে পুলিশ কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে করে আদালতে হাজির করছে। তবে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামাল এখনো পলাতক। মামুন ইতোমধ্যে নিজের দায় স্বীকার করে রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী (রাজসাক্ষী) হয়েছেন।

সোমবারের শুনানিতেও প্রসিকিউশনের পক্ষে অংশ নেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম, গাজী এমএইচ তামিম, ফারুক আহমদ, মঈনুল করিম ও আবদুস সাত্তার পালোয়ানসহ আরও কয়েকজন।

নদীবন্দর/ইপিটি

 

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2020 Nadibandar.Com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com