বঙ্গোপসাগরের গভীর নিম্নচাপটি সাগরদ্বীপ ও খেপুপাড়ার মধ্য দিয়ে পশ্চিমবঙ্গ-বাংলাদেশ উপকূল অতিক্রম করেছে। ধীরে ধীরে এটি দুর্বল হচ্ছে। তবে এর প্রভাবে বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি ও ঝোড়ো বাতাস বইছে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে
নিম্নচাপের প্রভাবে ভোলায় নদ-নদীর পানি অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে। এতে তলিয়ে গেছে নিম্নাঞ্চল। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পাঁচ শতাধিক ঘরবাড়ি। মেঘনার পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছে
স্থল গভীর নিম্নচাপ ধীরে ধীরে দুর্বল হলেও এর প্রভাবে এখনো দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঝড়-বৃষ্টি বয়ে যাচ্ছে। কোথাও কোথাও ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে যেতে পারে। তাই সব নদীবন্দরে
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে নোয়াখালীতে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৮৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। জেলায় চলতি মৌসুমে একদিনে এটি সর্বোচ্চ বৃষ্টির রেকর্ড। এতে উপকূলীয় কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মুছাপুর ও চরহাজারী
গভীর নিম্নচাপটি কিছুটা দুর্বল হয়ে স্থল নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। যা এখন টাঙ্গাইল ও আশপাশের এলাকায় অবস্থান করছে। তবে এখনও সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত বহাল রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপটি পশ্চিমবঙ্গ-বাংলাদেশের উপকূল অতিক্রম সম্পন্ন করে উত্তর দিকে অগ্রসর হয়েছে। এর ফলে উপকূলীয় এলাকাগুলোতে প্রবল দমকা হাওয়া ও অমাবস্যাজনিত বায়ুতাড়িত জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ মে)