1. badsha.dru@gmail.com : admi2017 :
  2. nadibandar2020@gmail.com : Nadi Bandar : Nadi Bandar
অস্থিতিশীলতা সৃষ্টিকারীদের কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে - Nadibandar.com
মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০৫ পূর্বাহ্ন
নদী বন্দর প্রতিনিধি:
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ৩১ মার্চ, ২০২১
  • ১৭০ বার পঠিত

দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টিকারীদের কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

বুধবার (৩১ মার্চ) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তেনে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ইনোভেশন শোকেসিং-২০২১ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

মন্ত্রী বলেন, করোনা মহামারিকালেও দেশকে উচ্ছৃঙ্খলতার মাধ্যমে অস্থিতিশীল করার জন্য স্বাধীনতাবিরোধী সাম্প্রদায়িক অপশক্তি এবং তাদের পৃষ্ঠপোষক একটি মহল মাঠে নেমেছে। তারা মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ পছন্দ করে না, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বাংলাদেশ পছন্দ করে না, বঙ্গবন্ধুর আরাধ্য স্বাধীন বাংলাদেশ পছন্দ করে না। হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান মিলে হাজার বছরের ভাতৃত্ব ও সহমর্মিতার বাংলাদেশ পছন্দ করে না। সেই চক্র শেষ হয়ে যায়নি। এ সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীকে পৃষ্ঠপোষকতা বিএনপি দিয়েছে, জাতীয় পার্টি দিয়েছে। পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টের পর মুক্তিযুদ্ধবিরোধীদের ক্ষমতায় এনে রাজাকার শাহ আজিজ, আব্দুল আলীম, মাওলানা মান্নান, খান এ সবুরদের প্রতিষ্ঠিত করেছে।

তিনি আরও বলেন, ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন যে বিশ্বাসঘাতকের নাম ছিল মীর জাফর, ১৯৭৫ সালে সেই বিশ্বাসঘাতকের নাম হয়েছে খন্দকার মোশতাক ও জিয়াউর রহমান। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি যারা নষ্ট করতে চাইবে, মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ যারা ধ্বংস করতে চাইবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর-কঠিন ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যারা দেশের অভ্যন্তরে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করবে, বঙ্গবন্ধুকে আঘাত করবে, স্বাধীনতার স্বপ্নে আঘাত করবে তাদের সবার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

reza1

রেজাউল করিম বলেন, সংবিধোনের ৭ (ক) অনুচ্ছেদ অনুসারে সংবিধানের কোনো বিধি-বিধানকে অসাংবিধানিক উপায়ে রদ, রহিত, বাতিল, স্থগিত করলে বা করার জন্য ষড়যন্ত্র করলে তা ‘ষড়যন্ত্র’ হিসেবে গণ্য হবে। এছাড়া সংবিধানের বিধানের প্রতি নাগরিকদের আস্থা-বিশ্বাস নষ্ট করলে বা প্রত্যেক্ষ বা পরোক্ষভাবে সমর্থন করলেও তা ‘রাষ্ট্রদ্রোহিতা’র অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। যার সর্বোচ্চ শাস্তি হতে পারে মৃত্যুদণ্ড। সাম্প্রতিক সময়ে সাংবিধানিক বিধান ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’, ‘জাতির পিতা’ ইত্যাদি নিয়ে সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীর কৃতকর্ম স্পষ্ঠভাবে ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে প্রতিভাত।

তিনি বলেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাত একসময় অবহেলিত ছিল। এখন এ খাতে একটা বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে। সরকারে নীতি-নির্ধারণ ও বিভিন্ন পদক্ষেপের কারণে এটা সম্ভব হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাত সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দফতর ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিসর বৃদ্ধি করেছেন।

মন্ত্রী বলেন, অত্যাধুনিক রাষ্ট্র ব্যবস্থার জন্য সকলে মিলে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়ন করতে হবে। এ খাতকে আধুনিকায়ন ও যান্ত্রিকীকরণ করতে হবে। পুষ্টি ও আমিষসমৃদ্ধ খাবার মাছ, মাংস, দুধ, ডিম সরবরাহের জন্য মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতকে আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি। এ খাতের পরিসর বৃদ্ধির জন্য কর্মকর্তারা কাজ করতে হবে। সরকার ও রাষ্ট্র পাশে আছে।

করোনা পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, করোনার মধ্যে কাজ না করলে রাষ্ট্রযন্ত্র বন্ধ হয়ে যাবে। রাষ্ট্রযন্ত্র বন্ধ হয়ে গেলে উৎপাদন হবে না। উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেলে অর্থনীতি ঠিক থাকবে না। অর্থনীতি ঠিক না থাকলে অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা ও ডিজিটাল রাষ্ট্র ব্যবস্থা আমরা কেউ পাবো না। এজন্য করোনার মধ্যে কাজও করতে হবে, সচেতনও থাকতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গোটা জাতি, দেশের অর্থনীতি ও উন্নয়নকে সাথে নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও চিফ ইনোভেশন অফিসার মো. তৌফিকুল আরিফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদ। মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শাহ্ মো. ইমদাদুল হক ও শ্যামল চন্দ্র কর্মকারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয় ও আওতাধীন দফতর-সংস্থার ৩২টি উদ্ভাবনী ধারণা উপস্থাপন করা হয়। প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি উদ্ভাবনী ধারণাগুলো ঘুরে দেখেন ও এ বিষয়ে সম্যক ধারণা নেন।

নদী বন্দর / জিকে

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2020 Nadibandar.Com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com