কোরবানির বর্জ্য পরিষ্কার করতে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের কাছে যথা সময়ে প্রয়োজনীয় উপকরণ সরবরাহের অনুরোধ জানিয়েছে প্রাইমারি ওয়েস্ট কালেকশন সার্ভিস প্রোভাইডর (পিডব্লিউসিএসপি)। সোমবার (১৯ জুলাই) রাজধানীর মিরপুরে সংবাদ সম্মেলন করে এ অনুরোধ জানানো হয়।
পিডব্লিউসিএসপির সভাপতি নাহিদ আক্তার লাকি বলেন, ‘আপনারা জানেন রাজধানী ঢাকার বাসাবাড়ির ময়লা আবর্জনা অপসারণ ও ব্যবস্থাপনার মূল দায়িত্ব ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন। কিন্তু প্রতিষ্ঠান দুটি শুধু নির্ধারিত কন্টেইনার থেকে ল্যান্ডফিল্ডে ময়লা অপসারণের কাজ করছে। তাদের যে জনবল রয়েছে তা দিয়ে বাসাবাড়ি থেকে ময়লা সংগ্রহ করা সম্ভব হয় না। সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা শুধুমাত্র শহরের প্রধান প্রধান সড়কে ঝাড় দেয়া ছাড়া আর কিছুই করতে পারে না। তাদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে আমাদের প্রাইমারি ওয়েস্ট কালেকশন সার্ভিস প্রোভাইডরের প্রায় ৯ হাজার পরিচ্ছন্নতাকর্মী নাগরিকদের বাসা বাড়ির ময়লা সংগ্রহ করে সিটি কর্পোরেশনের কন্টেইনারে পৌঁছে দেয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘করোনার সম্মুখ যোদ্ধা হিসেবে আমাদের পরিচ্ছন্নকর্মীরা সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করলেও তাদের সরকারের পক্ষ থেকে করোনার সম্মুখ যোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়নি। আমরা পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের করোনার সম্মুখ যোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি দানের পাশাপাশি দ্রুততম সময়ের মধ্যে তাদের প্রত্যেকের জন্য অগ্রাধিকার ভিত্তিতে করোনা টিকা দেয়াসহ আর্থিক সাহায্য প্রদানের জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি।’
নাহিদ আক্তার লাকি বলেন, ‘কোরবানির পশুর বর্জ্য দ্রুত সরাতে এই চ্যালেঞ্জিং কাজ মনিটরিং করার জন্য পিডব্লিউসিএসপির পক্ষ থেকে প্রতিবারের মতো এবারও একটি ভ্রাম্যমাণ টিম কাজ করবে। ঈদুল আজহার এক সপ্তাহ আগে থেকে পিডব্লিউসিএসপির সদস্যরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে বাসাবাড়ির ময়লার সঙ্গে কোরবানির পশুর গোবর ও খড়কুটা সংগ্রহ করছে এবং ঈদ ও পরবর্তী তিনদিন তাদের কোনো প্রকার ছুটি থাকে না। আমরা আশা করছি অতীতের মতো ভবিষ্যতেও আপনারা অবহেলিত এই পরিচ্ছন্ন কর্মীদের পাশে থাকবেন।’

