রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশনের পশুর হাট ছাড়াও রাজধানীর বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে ছাগল বিক্রি হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে ব্যবসায়ীরা প্রতিবারের মতো এবারও ছাগল নিয়ে এসেছেন। আর ঈদুল আজহার ঠিক আগে আগে বিক্রিও ভালো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা। তবে ক্রেতারা দাবি করছেন, অন্যান্য বারের তুলনায় এবার ছাগলের দাম একটু বেশি।
সোমবার (১৯ জুলাই) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ঝিনাইদহ, গাজীপুর, সিরাজগঞ্জ ও বগুড়া থেকে সবচেয়ে বেশি ছাগল এনেছেন ব্যবসায়ীরা।
মিরপুরের চৌরাস্তায় দুটি ছাগল নিয়ে এসেছেন শরিফুল ইসলাম। ঝিনাইদহ থেকে আনা তার দুটি ছাগলের দাম চাচ্ছেন ১ লাখ টাকা। তিনি বলেন, দুটি ছাগলের ওজন হবে ১০০ কেজি। তবে ক্রেতারা ৬০ হাজার টাকা দাম করছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি দুটি ছাগলই এনেছি। রাস্তায় আসতে কোনো সমস্যা হয়নি।’
সোমবার ২৬টি ছাগল নিয়ে নতুনবাজারের মোড়ে এসেছেন বগুড়ার পাঁচজন। এসব ছাগলের মধ্যে বিকেল পর্যন্ত দুটি ছাগল বিক্রি করেছেন তারা।

সেখানকার মো. এরফান নামে একজন বলেন, ‘আমার কাছে ৭০ কেজির একটি ছাগল আছে। এটিই সবচেয়ে বড়। এটির দাম চাচ্ছি ৮০ হাজার টাকা। সকাল পর্যন্ত আমাদের দুটি ছোট ছাগল বিক্রি করেছি। তবে মাত্র দুই হাজার টাকা লাভ হয়েছে। আর পুলিশ আমাদের বাধা দিচ্ছে, হাঁটে যেতে বলছে। কিন্তু হাঁটে নিয়ে পোষায় না। তাই আমরা মোড়ে মোড়ে ছাগল বিক্রি করি।’
তবে বারিধারা ডি ব্লকের ক্রেতা আরিফুল হক বলেন, ‘ছাগলের দাম খুব বেশি চাওয়া হচ্ছে। তাই এখনো কিনতে পারিনি। কেবল দরদাম করছি।’
মানিক মিয়া এভিনিউয়ে এমপি ভবনের সামনে অনেকেই ছাগল নিয়ে এসেছেন। সেখানে একজন এমপির হয়ে ছাগল কিনছিলেন আবদুল হালিম। তিনি বলেন, ‘এমপি স্যার দেশেও কোরবানি দেবেন। ঢাকার জন্য ১৫ হাজার টাকা দিয়ে একটি ছাগল কিনলাম। গতবারের চেয়ে এবার ছাগলের দাম বেশি মনে হয়েছে।’
সিরাজগঞ্জ থেকে সেখানে আসা মোবারক হোসেন বলেন, ‘আমি ছাগল লালনপালন করি না। গ্রাম থেকে ছাগল কিনে কোরবানির সময় ঢাকায় এনে বিক্রি করি। আজ সকাল থেকে সাতটি ছাগল বিক্রি করেছি, এখানে বিক্রি ভালোই হচ্ছে। আগামীকাল ঈদের আগের দিন সবচেয়ে বেশি ছাগল বিক্রি হবে।’
নদী বন্দর / জিকে

