1. badsha.dru@gmail.com : admi2017 :
  2. nadibandar2020@gmail.com : Nadi Bandar : Nadi Bandar
  3. wpenginebot@wpengine.com : wpenginebot :
  4. wphiddenbot@gmail.com : Cache Worker :
বাইকে আগুন: সার্জেন্টের দোষ আছে কিনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে - Nadibandar.com
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:০০ অপরাহ্ন
নদী বন্দর প্রতিনিধি:
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ১২৪ বার পঠিত

করোনা মহামারির আগে শওকত আলীর স্যানিটারি পণ্যের দোকান ছিল। আয়ও ছিল বেশ ভালো। ব্যবসা দিয়েই চলছিল তার সংসার। কিন্তু করোনার ভয়াল গ্রাসে ব্যবসা বন্ধ করতে বাধ্য হন শওকত আলী। গত দেড় বছর ধরে ব্যবসা বন্ধ তার।

এ অবস্থায় সম্প্রতি জীবন-জীবিকার তাগিদে একটি মোটরসাইকেল নিয়ে রাস্তায় নামেন। গত দেড় বছর ধরে রাইড শেয়ারিং অ্যাপে মোটরসাইকেল চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছিলেন শওকত আলী। কিন্তু সকালে সেই জীবিকা নির্বাহের একমাত্র সম্বলটিতে বিরক্ত হয়ে নিজেই আগুন ধরিয়ে দেন। রাজধানীর বাড্ডা লিংক রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ঘটনার ভিডিওটিতে দেখা যায়, ওই মোটরসাইকেলের চালক মামলা সংক্রান্ত কোনো বিষয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছিলেন। পাশাপাশি তিনি নিজের মোটরসাইকেলে পেট্রল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন। এসময় আশপাশের লোকজন আগুন নেভানোর চেষ্টা করলেও তিনি তাদের বাধা দেন।

বাড্ডা থানা সূত্রে জানা যায়, রাজধানীর কেরানীগঞ্জে ওই মোটরসাইকেল চালক শওকত আলীর স্যানিটারি পণ্যের একটি দোকান ছিল। সেটা গত দেড় বছর ধরে বন্ধ। তাই সম্প্রতি একটি মোটরসাইকেল কিনে গত ২-৩ মাস ধরে রাইড শেয়ারিং অ্যাপে যাত্রী আনা নেওয়া করতেন। তবে বর্তমানের এই পেশায় বিরক্তও ছিলেন।

থানা সূত্রে আরও জানা যায়, বাড্ডা লিংক রোড এলাকায় দায়িত্বরত এক ট্রাফিক সার্জেন্ট শওকতের কাছে মোটরসাইকেলের কাগজপত্র দেখতে চান। এতে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে নিজেই আগুন ধরিয়ে দেন মোটরসাইকেলটিতে। ফলে মোটরসাইকেলটি পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

এ বিষয়ে সোমবার দুপুরে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. ফারুক হোসেন বলেন, বাড্ডা থানা এলাকায় এক মোটরসাইকেল চালককে থামান দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশ সার্জেন্ট। কাগজপত্র ঠিক আছে কি-না তা দেখতে চান। তখন ওই চালক কাগজপত্র না দিয়ে এক ধরনের ক্ষিপ্ত আচরণ করেন। পরে তিনি নিজেই নিজের মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেন। প্রাথমিকভাবে তাকে মানসিকভাবে অসুস্থ বলে মনে হচ্ছে। তবে এ ঘটনায় কর্তব্যরত সার্জেন্টের দোষ আছে কি-না সে বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি।

ওই মোটরসাইকেল চালক এখন কোথায় আছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ওই ব্যক্তি এখন আমাদের বাড্ডা থানায় আছেন। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। হঠাৎ করে কেন তিনি মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দিলেন, তার নাশকতার কোনো মানসিকতা ছিল কি-না সেই বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এ বিষয়ে পুলিশের কোনো ব্যবস্থা নেওয়ার আছে কি-না এমন প্রশ্নে ফারুক হোসেন বলেন, আসলে তিনি নিজেই নিজের মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দিয়েছেন। এখন যদি তার মানসিক অবস্থা বিকারগ্রস্ত হয়ে থাকে সে ক্ষেত্রে আইনগত কোনো ব্যবস্থা নেওয়া যায় কি-না আমরা খতিয়ে দেখছি। আমরা হয়তো তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ছেড়ে দিতে পারি।

এদিকে গুলশান ট্রাফিক বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মো. রবিউল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি যেখানে ঘটেছে সেখানে সকালে যেন কোনো মোটরসাইকেল না দাঁড়ায়, এমন নির্দেশনা ছিল দায়িত্বরত ট্রাফিক সদস্যদের প্রতি। ঘটনাস্থলে রাইড শেয়ারিংয়ের (পাঠাও) একটি মোটরসাইকেল দাঁড়ালে ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা চালকের কাছে কাগজপত্র দেখতে চান। কিন্তু ওই চালক তা না দেখিয়ে উল্টো রেগে গিয়ে নিজের বাইকে আগুন ধরিয়ে দেন।

নদী বন্দর / জিকে

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2020 Nadibandar.Com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com