1. badsha.dru@gmail.com : admi2017 :
  2. nadibandar2020@gmail.com : Nadi Bandar : Nadi Bandar
  3. wpenginebot@wpengine.com : wpenginebot :
সমুদ্রগামী সব নৌযানে নির্দিষ্ট রংয়ের নম্বর দেওয়ার নির্দেশ - Nadibandar.com
শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৩৮ পূর্বাহ্ন
নদী বন্দর প্রতিনিধি:
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২৫ জুলাই, ২০২২
  • ১২৫ বার পঠিত

বিদেশি নৌযানের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সমুদ্রগামী দেশের সব নৌকা বা জাহাজে নির্দিষ্ট রংয়ের রেজিস্ট্রেশন নম্বর দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। আগামী চার মাসের মধ্যে মৎস্য অধিদপ্তর এ নির্দেশনা বাস্তবায়ন করবে।

সোমবার (২৫ জুলাই) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ভার্চুয়াল মন্ত্রিসভা বৈঠকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপস্থাপন করা ‘সামুদ্রিক মৎস্য আহরণ নীতিমালা,২০২২’ আইনের খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়।

প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে এবং অন্য মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষ থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠকে যোগ দেন। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ইমেডিয়েটলি সব নৌযানকে রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিতে তে হবে। মিয়ানমারের কিছু নৌকা আমাদের সীমানায় ঢুকে যাচ্ছে। ২০-৪০ হাজার নৌকার মধ্যে বাইরের দু-পাঁচটা নৌকা ঢুকে গেলে সেগুলো চিহ্নিত করা খুব মুশকিল। ভারতীয় নৌকাগুলোর কিন্তু একটা কালার আছে, রেজিস্ট্রেশন নম্বরও আছে। যেহেতু রেজিস্ট্রেশন নম্বর লাগবে সেজন্য আজ মন্ত্রিপরিষদ থেকে যত দ্রুত সম্ভব এটি করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, সামুদ্রিক মৎস্য আইন অনুযায়ী একটি নীতিমালা করা হয়েছে। ২০টি প্রতিষ্ঠানকে বিভিন্ন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, যেন আমরা সামুদ্রিক মৎস্য আহরণ একটা সিস্টেমে আনতে পারি। এ লক্ষ্যে প্রথম ধাপের কাজ শুরু হয়েছে। সমুদ্রে যতো নৌযান মাছ ধরে সেগুলোকে ইমেডিয়েটলি রেজিস্ট্রেশন করা ডিফিকাল্ট। তাই এ মুহূর্তে সামুদ্রিক সব নৌযানকে নির্দিষ্ট রংয়ের নম্বর দিতে হবে। যেন সেগুলোকে আইডেন্টিফাই করা যায়। সবুজ, লাল অথবা অন্য যে কোনো রং দেওয়া হোক, সেটা নিয়ে আজ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, মৎস সচিব জানিয়েছেন এরইমধ্যে রেজিস্ট্রেশন নিয়ে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। নম্বর তারা দিয়ে দিচ্ছেন। মন্ত্রিসভা থেকে নম্বরের পাশাপাশি রং দিতেও বলা হয়েছে। বিশেষত সুবজ বা লাল রং না হলে যেটা কমফোরটেবল হয় সেটা দিয়ে নম্বর দিতে হবে। নম্বর দিয়ে তিন-চার মাস সময়ও বেঁধে দিতে হবে, এরপর যেন নম্বর ছাড়া কোনো নৌকা সাগরে নামতে না পারে। রেজিস্ট্রেশন নম্বরটা দেবে মৎস্য অধিদপ্তর।

তিনি বলেন, চার মাসের মধ্যে নৌকা বা শিপ যেগুলো সমুদ্রে যাবে তাদের রং করে একটা নম্বর দিতে হবে। সমুদ্রের জন্য কোন কালারটা সুইটেবল হবে সেটা মৎস্য অধিদপ্তর ঠিক করবে। যেন দূর থেকে সেই নম্বরটি চোখে পড়ে। লাল বা সবুজ রং নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। বর্তমানে সমুদ্রে এ ধরনের নৌযানের সংখ্যা কমপক্ষে ১০ হাজার হবে।

নদী বন্দর/এসএস

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2020 Nadibandar.Com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com