মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী অ্যাডভোকেট. শ.ম.রেজাউল করিম বলেছেন, টুঙ্গিপাড়ার খোকা থেকে বঙ্গবন্ধুকে বঙ্গবন্ধু হতে পর্দার আড়াল থেকে প্রেরণা ও সহযোগীতা করেছেন বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব। ১৯৫২ থেকে স্বাধীনতার পর্যন্ত যত আন্দোলন সংগ্রাম হয়েছে সব আন্দোলন সংগ্রামে মহিয়সী নারী বেগম শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের অসামান্য অবদান রয়েছে।
তিনি কোন রকম মুচলেকা দেননি। পশ্চিম পাকিস্তানে আলোচনা করতে যেতে বঙ্গবন্ধুকে উৎসাহিত করেছেন।
তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ও তিনি অসিম সাহসিকতা এবং জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অনেক কষ্টকর অবস্থায় তিনি অনেকটা গৃহঅন্তরিন থেকেও বাঙালী জাতির অধিকার আদায়ের প্রশ্নে তার জীবন সঙ্গী আমাদের মহান নেতা বঙ্গবন্ধুকে দৃঢ়তা ধারন করতে বলেছিলেন।
মন্ত্রী আজ সোমবার দুপুরে পিরোজপুরে জেলা প্রশাসন ও মহিলা অধিদপ্তরের আয়োজনে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব এর ৯২ তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভায় ভার্চুয়ালী সংযুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন।
আলোচনা সভায় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহেদুর রহমানের সভাপত্বি বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাঈদুর রহমান (পিপিএম সেবা), জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এ.কে.এম.এ আউয়াল, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মনিরা পারভীন, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেবেকা খান, সিভিল সার্জন ডা: মো: হাসনাত ইউসুফ জাকী, পিরোজপুর সরকারি সোহরাওয়ার্দী কলেজের অধ্যক্ষ সৈয়দ আলী আজম, মুক্তিযোদ্ধা গৌতম রায় চৌধুরী, আওয়ামীলীগের যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক আক্তারুজ্জামান ফুলু, যুবলীগের সহ-সভাপতি জাহিদ হাসান পিরু, ইমাম সমিতির সভাপতি ফারুক আবদুল্লাহ, মাকসুদুর রহমান লিটন,শিরিনা আফরোজ প্রমূখ।
এর আগে পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব এর প্রতিকৃতিতে পুস্পমাল্য অর্পণ করা হয়। এতে পিরোজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মৎস্য ও প্রানিসম্পদ মন্ত্রীর পক্ষে পুষ্পমাল্য অর্পন করা হয়। এছাড়া বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা ও আওয়ামীলীগ সহ তার অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ পুষ্পমাল্য অর্পন করেন।
আলোচনা সভা শেষে ১৮ জন কে ১ লাখ ১৫ হাজার টাকার চেক বিতরণ ও সেলাই মেশিন বিতরণ করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহেদুর রহমান।
নদী বন্দর/এসএস