1. badsha.dru@gmail.com : admi2017 :
  2. nadibandar2020@gmail.com : Nadi Bandar : Nadi Bandar
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল রেকর্ড ১২ কোটি ৯ লাখ টাকা - Nadibandar.com
রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫, ১১:০৯ পূর্বাহ্ন
নদীবন্দর, কিশোরগঞ্জ
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৫
  • ২ বার পঠিত

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার রেকর্ড ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার ২২০ টাকা পাওয়া গেছে। এছাড়া বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালঙ্কার পাওয়া গেছে। প্রায় সাড়ে ১১ ঘণ্টা ৫০০ জনের একটি দল এ টাকা গণনায় কাজ করেন। শনিবার (৩০ আগস্ট) সকাল সোয়া ৭টায় দানবাক্সগুলো খোলা হয়। পরে তা মসজিদের দোতলায় গণনার জন্য সাড়ে ৮টার দিকে নেওয়া হয়।

দিনভর টাকা গণনা শেষে রাত পৌনে ৮টার দিকে কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মেজাবে রহমত নিশ্চিত করেন।

এবার ৪ মাস ১৭ দিন পর মসজিদের ১৩টি লোহার দানবাক্স খোলা হয়। এতে রেকর্ড ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার ২২০ টাকা পাওয়া গেছে।

এর আগে গত ১২ এপ্রিল দানবাক্স খোলা হলে তখন ২৮ বস্তা টাকা পাওয়া যায়। যার গণনা শেষে রেকর্ড গড়ে পাওয়া গিয়েছিল ৯ কোটি ১৭ লাখ ৮০ হাজার ৬৮৭ টাকা। সঙ্গে ছিল বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালংকার, বৈদেশিক মুদ্রা এবং অন্যান্য মূল্যবান সম্পদ। এবার প্রায় ৪ মাস ১৭ দিন পর দানবাক্সগুলো খোলা হয়।

এর আগে গত বছরের ৩০ নভেম্বর ৩ মাস ১৪ দিন পর ১১ টি দানবাক্স খোলা হয়েছিল। ২৯ বস্তায় তখন রেকর্ড ৮ কোটি ২১ লাখ ৩৪ হাজার ৩০৪ টাকা পাওয়া গেছে। গত বছরের ১৭ আগস্ট তিন মাস ২৭ দিন পর পাগলা মসজিদের নয়টি দানবাক্সে ২৮ বস্তা টাকা পাওয়া যায়। যা গণনা করে ৭ কোটি ২২ লাখ ১৩ হাজার ৪৬ টাকা পাওয়া গিয়েছিল।

শনিবার কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ফৌজিয়া খান ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাছান চৌধুরী উপস্থিতিতে দানবাক্সগুলো খোলা হয়। পরে ৩২টি বস্তায় ভরে টাকাগুলো মসজিদের দোতলায় আনা হয় গণনার জন্য।

টাকা গণনার কাজে কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মিজাবে রহমত, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ নাহিদ হাসান খান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জেসমিন আক্তার, রূপালী ব্যাংকের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) মোহাম্মদ আলী হারেছীসহ ঐতিহাসিক জামিয়া ইমদাদিয়া মাদ্রাসার ২২০ ও পাগলা মসজিদের নুরুল কোরআন হাফিজিয়া মাদ্রাসার ১২০ জন ছাত্র, ব্যাংকের ১০০ জন স্টাফ, মসজিদ কমিটির ৩৪ জন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ২০ জন সদস্য অংশ নেন।

মসজিদের খতিব, এলাকাবাসী ও দূর-দূরান্ত থেকে আসা লোকজন সূত্রে জানা যায়, এ মসজিদে মানত করলে মনের আশা পূর্ণ হয়- এমন ধারণা থেকে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই এ মসজিদে দান করে থাকেন।

নদীবন্দর/জেএস

 

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2020 Nadibandar.Com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com