ভূমিকম্প বিধ্বস্ত আফগানিস্তানের প্রত্যন্ত এলাকাগুলোতে বৃহস্পতিবার (২৩ জুন) থেকে ত্রাণ পৌঁছানো শুরু হয়েছে। তবে দুর্বল যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং পর্যাপ্ত সড়কের অভাবে দুর্যোগকবলিতদের সহযোগিতা করতে গিয়ে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হচ্ছে ত্রাণকর্মীদের।
গতকাল বুধবার আফগানিস্তানের পূর্বাঞ্চলে ৬ দশমিক ১ মাত্রার ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা এরই মধ্যে এক হাজার ছাড়িয়েছে। ভূমিকম্পের মতো ভয়াবহ এ প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যে বন্যার কবলে পড়েছে আফগানিস্তানের মানুষ। আফগানিস্তানের প্রাকৃতিক
আসামে বন্যায় মঙ্গলবার (২১ জুন) আরও সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ভারতীয় রাজ্যটিতে সাম্প্রতিক দুর্যোগে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৮ জনে। আশঙ্কার কথা, এক সপ্তাহ পরেও সেখানে বন্যা পরিস্থিতির তেমন
আফগানিস্তানে শক্তিশালী ভূমিকম্পের আঘাতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯২০ জনে দাঁড়িয়েছে। এতে আহত হয়েছেন ছয় শতাধিক। বুধবার (২২ জুন) ভোররাতে দক্ষিণ এশিয়ার দেশটিতে এ ভূকম্পন আঘাত হানে। খবর আল-জাজিরার। দেশটির দুর্যোগ
এস-৫০০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। মস্কোর সামরিক কলেজ থেকে গ্র্যাজুয়েট করা একদল তরুণ ক্যাডেটের উদ্দেশে মঙ্গলবার ভাষণ দেওয়ার সময় পুতিন এ নির্দেশ দেওয়ার কথা জানান।
আফগানিস্তানে আজ ভোরে শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ২৫০ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন বহু মানুষ। তবে নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে ধারনা করা হচ্ছে। রিখটার স্কেলে ৬ দশমিক