কারো জন্য বদ-দোয়া কোনোভাবেই কাম্য নয়। কেননা বদ-দোয়ার ব্যাপারে সতর্ক করেছেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। বিশেষ কারণে তিনি বদ-দোয়া করতে নিষেধ করেছেন। দোয়া কবুলের মুহূর্তগুলোতেও বদ-দোয়া করতে নিষেধ করেছেন।
সুসময়-দুঃসময়, সঙ্কট-সম্ভাবনা ও তা থেকে মুক্তি সবই মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে আসে। এ কারণে কোনো ঈমানদার বান্দা কখনো সঙ্কট-শঙ্কাপূর্ণ অবস্থা কিংবা সম্ভাবনার ক্ষেত্রেও হতাশ হয় না। আল্লাহর কাছে সাহায্য চায়।
ফজিলতপূর্ণ অসাধারণ একটি জিকির। যে জিকিরে মহান আল্লাহ তাআলা বান্দাকে দুনিয়া ও পরকালের অসাধারণ মর্যাদা ও উপকারিতা দান করবেন। যে যতবেশি পড়বে তার উপকারিতা ও মর্যাদা ততবেশি হবে। হাদিসের বর্ণনা
বান্দার জন্য মহান আল্লাহর সবচেয়ে বড় অনুগ্রহ হালাল রিজিক। তিনিই বান্দাকে বিভিন্ন উপায়ে রিজিক দিয়ে থাকেন। হালাল রিজিক লাভে কুরআন-সুন্নায় ৬ টি উপায় ওঠে এসেছে। যারা এ ছয়টি কাজ যথাযথভাবে
হজরত মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। মানবজাতির জন্য সর্বোত্তম আদর্শের প্রতীক। এটি মানুষের কথা নয় বরং বিশ্বমানবতার জন্য আদর্শ হিসেবে স্বয়ং আল্লাহ তাআলাই তাঁকে দায়িত্ব দিয়েছে এ পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন।
জ্ঞান অর্জনই মানুষের মর্যাদার পার্থক্য নির্ণয় করে দেয়। এ জ্ঞানের মর্যাদা দিতে গিয়েই আল্লাহ তাআলা ফেরেশতাদের উপর হজরত আদম আলাইহিস সালামের শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন। তাকে সেজদা করতে বলেছেন। জ্ঞান অর্জনের