কঠোর বিধিনিষেধ শিথিলের পর সারাদেশে শুরু হয়েছে লঞ্চ চলাচল। তবে বিধিনিষেধ শিথিলের প্রথমদিনেই সদরঘাটে দেখা যায় ঘরমুখো মানুষের চাপ। এরইমধ্যে বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) ভোর ৫টায় সদরঘাট থেকে সুরেশ্বর, ওয়াপদা, ইলিশা,
ফরিদপুরের কৃষকরা গত কয়েক বছর পাট চাষে লাভের মুখ দেখলেও এবার দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। করোনাকালীন লকডাউনের কারণে পাট কাটার শ্রমিক সংকট দেখা দিয়েছে। আবার এ বছর অতিবৃষ্টিতে পাটের গোড়ায় পানি জমলেও
দীর্ঘ ২৩ দিন পর বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌরুটে লঞ্চ ও ফেরি চলাচল শুরু হয়েছে। ফলে ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ঘরে ফিরতে শুরু করেছে মানুষ। বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) থেকে বিধিনিষেধ শিথিলের ঘোষণার পর
দেশে করোনা ভাইরাসের প্রকোপ হঠাৎ বৃদ্ধি পাওয়ায় পানি সম্পদ মন্ত্রনালয় তাদের কর্মকর্তা-কর্মচারি ও পরিবারের সদস্যর্দে জন্য ১৩ শয্যা বিশিষ্ট একটি মেডিক্যাল সেন্টার স্থাপন করেছে। এখানে করোনায় আক্রান্ত রোগিদের চিকিৎসা করা
নদীর তীব্র স্রোতে ফেরি চলাচল ব্যাহত হওয়ায় দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার প্রবেশদ্বার দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পারাপারের অপেক্ষায় কোরবানির পশুবাহী কয়েকশ ট্রাক আটকা পড়েছে। ফলে তীব্র গরমে অসুস্থ্য হয়ে পড়ছে অনেক গরু। এছাড়া
কঠোর লকডাউন শিথিলের প্রথম দিনে মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাটে ঘরমুখো মানুষ ও যানবাহনের ঢল নেমেছে। আজ বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) সকাল থেকেই রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছোট-বড় যানবাহনে চড়ে যাত্রীরা