রাজউকের দু’টি পৃথক মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় ১১ লাখ টাকা জরিমানা ও ১২টি ভবনের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন ও ১৪টি মিটার জব্দ করা হয়েছে।
সোমবার (২৮ এপ্রিল) রাজউকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. লিটন সরকারের নেতৃত্বে মাদানী অ্যাভিনিউ, ভাটারা এলাকায় সর্বমোট ৮টি নির্মাণাধীন ভবনে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়।
এসময় জোন ৪ ও জোন ৫ এর আওতাধীন এলাকায় দু’টি পৃথক মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছে রাজউক। ভবন নির্মাণে ইমারত নির্মাণ বিধিমালা লঙ্ঘনের দায়ে ৭টি ভবনের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন ও মিটার জব্দ করা হয়। সেইসঙ্গে রাজউক এর অনুমোদিত নকশার থেকে ব্যত্যয়কৃত অংশ অপসারণ করা হয়। একটি ভবনের মালিককে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়াও ভবন মালিকগণের নিকট থেকে ভবন নির্মাণে অনুমোদিত নকশার ব্যত্যয় করবেন না মর্মে অঙ্গীকারনামা আদায় করা হয়।
মোবাইল কোর্টে আরও উপস্থিত ছিলেন অথরাইজড অফিসার মোহাম্মদ কায়সার পারভেজ ও রাজিবুল ইসলাম, সহকারী অথরাইজড অফিসার, প্রধান ইমারত পরিদর্শক, ইমারত পরিদর্শকগণসহ উচ্ছেদ কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ।
অন্যদিকে, রাজউকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাহমিনা পারভিনের নেতৃত্বে রাজউকের জোন ৫/৩ এর আওতাধীন কামরাঙ্গীরচর মাহাদীনগর ২নং রোড এলাকায় আরেকটি মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। এসময় সর্বমোট ৭টি নির্মাণাধীন ভবনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। ভবন নির্মাণে ইমারত নির্মাণ বিধিমালা লঙ্ঘনের দায়ে ৫টি ভবনের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন ও ৬টি মিটার জব্দ করা হয় এবং রাজউক এর অনুমোদিত নকশার থেকে ব্যত্যয়কৃত অংশ অপসারণ করা হয়। এসময় ব্যত্যয়কৃত ভবনসমূহের মালিকদের ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়াও ভবন মালিকগণের নিকট থেকে ভবন নির্মাণে অনুমোদিত নকশার ব্যত্যয় করবেন না মর্মে ৩০০ টাকার জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারনামা আদায় করা হয়।
মোবাইল কোর্টে আরও উপস্থিত ছিলেন অথরাইজড অফিসার মো. মেহেদী হাসান খান, সহকারী অথরাইজড অফিসার মো. ইসমাইল হোসেন, প্রধান ইমারত পরিদর্শক, ইমারত পরিদর্শকগণসহ উচ্ছেদ কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ।
নদীবন্দর/ইপিটি