দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে চলমান বন্যা ভয়াবহ রূপ লাভ করেছে চার কারণে। ২০০ বছরের মধ্যে রেকর্ডভাঙা বৃষ্টি হয়েছে এবারে আপার মেঘনা ও বরাক অববাহিকায়। ওই পানি ধারণের মতো অবস্থা নেই হাওড়ে। ৩২
দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর আর তিন দিকে মেঘনা, তেঁতুলিয়া ও ইলিশা নদীবেষ্টিত দ্বীপ জেলা ভোলা। এ জেলায় প্রায় দুই লাখ জেলে ইলিশ মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করেন। জ্যৈষ্ঠ ও আষাঢ় মাস হচ্ছে
বর্ষার শুরুতে প্রায় প্রতিবছরই হিংস্র হয়ে ওঠে মেঘনা নদী। এবারও নদীর উত্তাল ঢেউ এবং তিন নদীর মিলনস্থল দিয়ে ফের ঘূর্ণিস্রোতের তীব্রতা বৃদ্ধি পেয়েছে। শহরের মোলহেড ও পুরানবাজার ঠোডা এলাকা ভয়ংকর
উজানের ঢলে মেঘনা নদীতে বাড়ছে পানি। কিশোরগঞ্জের ভৈরবে নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি। ফলে উপজেলার আগানগর, শ্রীনগর, সাদেকপুর ইউনিয়নের গ্রামের নিচু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। শনিবার (১৮ জুন) দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা
উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল আর পূর্ণিমার প্রভাবে সৃষ্ট অস্বাভাবিক জোয়ারে ভোলা সংলগ্ন মেঘনা আর তেতুলিয়া নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া দ্বীপ জেলা ভোলার বেড়ি বধের বাইরের নিম্নাঞ্চল ২
নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার দুর্গম চরাঞ্চল চরমধুয়া ইউনিয়নে নির্মাণাধীন গ্রাম রক্ষা বাঁধে ভাঙন দেখা দিয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে হঠাৎ ওই ইউনিয়নের বীর চরমধুয়া গ্রামের ১০০ মিটার বাঁধ ভেঙে ঈদগাহর