মুন্সিগঞ্জে লকডাউন বাস্তবায়নে তিন প্লাটুন সেনাবাহিনী ও দুই প্লাটুন বিজিবিসহ জেলা পুলিশ ও প্রশাসন অবস্থান নিয়েছে।জেলার লৌহজং শিমুলিয়া ঘাট অভিমুখে দুটি চেকপোস্টে কাজ করছে পুলিশ ও বিজিবি। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া
করোনা সংক্রমণ রোধে বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) থেকে দেশব্যাপী সাতদিনের কঠোর লকডাউনকে কেন্দ্র করে রাজধানী ছাড়ছে মানুষ। এতে মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাটে ঘরমুখো মানুষের চাপ রয়েছে বেশ। বুধবার (৩০ জুন) সকাল
ফরিদপুরে প্রতিদিনই বৃষ্টি হচ্ছে। বাড়ছে নদ-নদীর পানি। এখনো বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি। তবে জেলার পাঁচটি উপজেলার কয়েকটি স্থানে শুরু হয়েছে নদীর ভাঙন। এতে আতঙ্কে রয়েছেন নদী পাড়ের বাসিন্দারা। অনেকেই ঘরবাড়ি ও
রাজধানীর একটি প্রিন্টিং প্রেসে চাকরি করেন আমের আলী (৪০)। ফরিদপুরে গ্রামের বাড়িতে থাকেন তার স্ত্রী, দুই সন্তানসহ বৃদ্ধ মা-বাবা। গ্রামে অল্প জমির ফসল এবং তার বেতনের টাকা সংসারের আয়ের প্রধান
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে সরকার ঘোষিত ‘লকডাউন’-এর দ্বিতীয় দিনেও ঢাকা ছাড়ছে মানুষ। এদিন সকাল থেকেই মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়াঘাটে দক্ষিণবঙ্গমুখী মানুষের ভিড় দেখা গেছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যাত্রীদের চাপ আরও বাড়ছে। যাত্রীরা
ফরিদপুরে এবার প্রাকৃতিক দুর্যোগে কপাল পুড়েছে পদ্মা ও মধুমতী নদীর চরের বাদামচাষিদের। রোপণের পর প্রখর খরায় শুকিয়ে যাওয়ার পর ক্ষেতে যা ফসল ছিল তা হঠাৎ বানের পানিতে তলিয়ে গেছে বাদাম