ঘূর্ণিঝড় ‘অশনি’র প্রভাবে উত্তাল রয়েছে পদ্মা। এরকম আবহাওয়ায় স্পিডবোটে পদ্মাপাড়ি দেওয়া বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। তাই মাদারীপুরের বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌরুটের অধিকাংশ যাত্রীরা ফেরিতে করে পদ্মা পার হওয়ায় চাপ বেড়েছে। বুধবার (১১ মে) বাংলাবাজার
গুরুত্বপূর্ণ ছয়টি ফেরিঘাটের মাধ্যমে প্রতিদিন ১০ হাজার ২০০টির মতো গাড়ি পারাপার করে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি)। এছাড়া সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের সারাদেশে ৪৪টি ফেরিঘাট রয়েছে। তবে এ সব ফেরির
নাব্য সংকটের কারণে শিমুলিয়া-মাঝিরকান্দি নতুন নৌরুটে চালু হচ্ছে না পরীক্ষামূলক ফেরি চলাচল। বুধবার (১ সেপ্টেম্বর) থেকে ফেরি চলাচল শুরুর কথা থাকলেও সকালে নৌরুট পরিদর্শন করে বিআইডাব্লিউটিসি ও বিআইডাব্লিউটিএর একটি টিম।
পদ্মায় তীব্র স্রোতের কারণে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে ফেরি চলাচল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি)। বুধবার (১৮ আগস্ট) দুপুর আড়াইটার দিকে নদীতে তীব্র স্রোত ও বাতাস প্রবাহিত
দীর্ঘ ২৩ দিন পর বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌরুটে লঞ্চ ও ফেরি চলাচল শুরু হয়েছে। ফলে ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ঘরে ফিরতে শুরু করেছে মানুষ। বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) থেকে বিধিনিষেধ শিথিলের ঘোষণার পর
সাত জেলায় ৯ দিনের লকডাউন চললেও মুন্সিগঞ্জে মানা হচ্ছে না কোনো বিধিনিষেধ। শিমুলিয়া-বাংলাবাজার রুটের ফেরিতে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেই যাত্রী পারাপার করা হচ্ছে। জেলা বিভিন্ন প্রবেশমুখে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চেকপোস্ট থাকলেও অভ্যন্তরীণ