সম্প্রতি ভারতের পশ্চিমবঙ্গে তিস্তা নদীতে দু’টি খাল খনন করার খবর প্রকাশ হবার পর, বাংলাদেশ সরকারের প্রতিক্রিয়া নিয়ে বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছে। ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, সে বিষয়ে খোঁজ নেবার জন্য পানিসম্পদ
তিস্তা নদীর পানি প্রত্যাহারে ভারতে নতুন দুটি প্রকল্প করার যে খবর দেশটির গণমাধ্যমে এসেছে তা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করেছে পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়। সরকার বিষয়টি সতর্কতার সঙ্গে পর্যালোচনা করছে। এ ব্যাপারে দেশটির
পানিবণ্টন চুক্তি অনুযায়ী ফারাক্কা বাঁধ থেকে বাংলাদেশে গঙ্গা নদীর সঠিক পরিমাণ যাচ্ছে কি না, খতিয়ে দেখতে পশ্চিমবঙ্গে এসেছে পাঁচ সদস্যের বাংলাদেশি প্রতিনিধি দল। বুধবার (১ মার্চ) দলটি মুর্শিদাবাদ জেলার ফারাক্কা
খাগড়াছড়ির রামগড়ে ফেনী নদী পরিদর্শনে করেছে যৌথ নদী কমিশনের (জেআরসি) একটি প্রতিনিধিদল। আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টায় এই প্রতিনিধি দল রামগড়-সাবরুম সীমান্তের মাঝে অবস্থিত ফেনী নদী পরিদর্শনে রামগড়ে আসেন। বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী
বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে তিস্তা নদীর পানিবণ্টন চুক্তি ১১ বছর ধরে ঝুলে থাকা লজ্জাজনক বিষয় বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। তিনি বলেছেন, আমরা ১১ বছরেও তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তি
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে বালুচর জাগতে দেখা গেছে। ব্রিজের মোট ১৬টি গার্ডারের মধ্যে ১০টি আছে পানির মধ্যে। বাকি ছয়টি গার্ডারের গোড়ায় বালুচর জমেছে। পদ্মার পানি কমে যাওয়ায় এ অবস্থার