ঈদের দীর্ঘ ছুটিতে পর্যটকের ভিড়ে মুখরিত হয়ে ওঠেছে পার্বত্য জেলা বান্দরবান। সবুজ পাহাড় আর নীল আকাশ দেখতে প্রকৃতিপ্রেমী মানুষের ঢল নেমেছে বান্দরবানে।
রমজানের কারণে দীর্ঘদিন পর্যটনকেন্দ্রগুলো ফাঁকা থাকলে ও এখন পর্যটকদের আনাগোনা বেড়েছে বান্দরবানের সকল পর্যটনকেন্দ্রে। হোটেল-মোটেল আর রির্সোটগুলোতে পর্যটকদের সমাগম বেড়েছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, জেলার মেঘলা, নীলাচল, শৈলপ্রপাত, চিম্বুক, নীলগিরিসহ বিভিন্ন পর্যটন স্পটগুলোর ব্যাপক ব্যস্ততা। এসব স্পট এখন পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত।
ঢাকা থেকে বান্দরবানের মেঘলা পর্যটনকেন্দ্রে বেড়াতে আসা পর্যটক মো. জহির গণমাধ্যমকে জানান, বান্দরবান খুবই সুন্দর জেলা আর ছুটি পেলেই আমি পরিবার পরিজন নিয়ে এখানে ঘুরতে চলে আসি।
নীলাচল পর্যটনকেন্দ্র ঘুরতে যাওয়া পর্যটক মো. শাহীন জানান, পাহাড় প্রকৃতি আর মেঘের অপরূপ জেলা বান্দরবান। বাংলাদেশে যে কয়েকটি পর্যটন এলাকা রয়েছে তার মধ্যে বান্দরবান অন্যতম। বান্দরবানে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর বসবাস আর তার সঙ্গে প্রকৃতির রূপ যে কাউকে সহজেই মুগ্ধ করে।
এদিকে বিনোদন কেন্দ্রের পাশাপাশি জেলার হোটেল-মোটেলগুলোতে বেড়েছে পর্যটকদের সমাগম। এতে লাভবান হওয়ায় প্রত্যাশা করছেন পর্যটন ব্যবসায়ীরা।
বান্দরবান হোটেল রিসোর্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. সিরাজুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, ঈদুল ফিতরের বন্ধে বান্দরবানে পর্যটকের আগমন বেড়েছে এবং বেশিরভাগ হোটেল-মোটেল এখন পর্যটকে পরিপূর্ণ। আমরা প্রতিনিয়ত অ্যাসোসিয়েশনের সব সদস্যদের নিদের্শনা দিয়ে যাচ্ছি, যাতে পর্যটকরা পর্যাপ্ত সেবা পায়।
এদিকে পর্যটকরা যেন নিরাপদে ভ্রমণ করতে পারে সেজন্য সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার করেছে বান্দরবান প্রশাসন। জেলা প্রশাসক শামীম আরা রিনি গণমাধ্যমকে জানান, বান্দরবান একটি পর্যটন জেলা। আর এই জেলাতে বেড়াতে আসা পর্যটকরা যাতে নিরাপত্তার সঙ্গে বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্র ভ্রমণ করতে পারে সেজন্য প্রশাসন সচেষ্ট রয়েছে। পাশাপাশি ট্যুরিস্ট পুলিশের সদস্যরা ও নিয়মিত নিরাপত্তার জন্য কাজ করছেন।
নদীবন্দর/এএস