মেঘনা নদীর ভয়াবহ ভাঙন কবলিত লক্ষ্মীপুরের কমলনগর ও রামগতি উপজেলার ৭ গ্রামের প্রায় ১৫ হাজার মানুষের মধ্যে নেই ঈদের আনন্দ। ঈদুল আজহার কোরবানির পশু কেনা-বেচা নিয়ে ভাঙন কবলিত পরিবারে নেই
‘রোজার মাসে ভর্তা-ছানা খেয়ে রোজা রেখেছিলাম। ট্যাহা-পয়সা নাই বলে তখন ঈদের দিনও গরুর মাংস জোটে নাই। ভাবছিলাম এবার ঈদে পেটভরে মাংস খামু। কিন্তু এ ঈদেও পাতে উঠবে না গরুর মাংস।
হবিগঞ্জে দূষিত বর্জ্যে অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে সুতাং নদী। গত ১৫ বছরে জেলার অলিপুর এলাকায় গড়ে ওঠা ছোট বড় শিল্প প্রতিষ্ঠানের নিষ্কাশিত দূষিত বর্জ্যে সুতাং নদীর পানি কালো রং ধারণ করেছে।
সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর পানি বৃষ্টি ও উজানের পাহাড়ি ঢলে আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। জেলার অভ্যন্তরীণ নদ-নদীগুলোর পানিও সে সঙ্গে বাড়তে শুরু করেছে। ফলে বন্যার আশঙ্কায় দিন পার করছেন নদী তীরবর্তী চরাঞ্চলের
আমরা পাল বংশের মানুষ। পালেরা মইরা যাক, কার কী আসে যায়? নদী থ্যাইকে মেশিন দিয়ে বালু তোলে, মানা করলে মারতে আসে, মামলার ভয় দেখায়। এখন রাস্তার সঙ্গে আমাদের বাড়িঘরও নদীতে
কুড়িগ্রামের সবকটি নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত সবগুলো নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার যাত্রাপুর, পাঁচগাছী, মোগলবাসা, ঘোগাদহ ও ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের চর