সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার দুর্গাবাটি এলাকায় খোলপেটুয়া নদীর ভাঙা বাঁধ দুই দিনেও মেরামত করা সম্ভব হয়নি। ফলে নতুন করে আরও ৬ টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এ নিয়ে মোট ১০ গ্রামের প্রায় চার
উপকূলবর্তী সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালীনি ইউনিয়নের পশ্চিম দুর্গাবাটির সাইক্লোন শেল্টার সংলগ্ন উপকূল রক্ষা বাঁধের ৪০ ফুটের মত খোলপেটুয়া নদীতে বিলীন হয়ে গেছে রাতেই। ফলে গভীর রাত থেকে দূর্গাবাটি গ্রামসহ আশপাশের
পূর্ণিমার প্রভাবে অস্বাভাবিক জোয়ারে সৃষ্ট জলোচ্ছ্বাসে কলাপাড়ার লালুয়া ইউনিয়নের রাবনাবাদ পাড়ের দেড় সহস্রাধিক পরিবার পানিতে ভাসছে। চান্দুপাড়া, চরচান্দুপাড়া, মুন্সিপাড়াসহ অন্তত ১০টি গ্রামের মানুষের বাড়িঘর, পুকুর সব পানিতে থৈ থৈ করছে।
বরগুনার তালতলীতে পায়রা নদীর বেড়িবাঁধ ভেঙে জয়ালভাংগা, নলবুনিয়া ও তেঁতুল বাড়িয়া এলাকার ৮টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে জোয়ারের প্রবল তোড়ে এ সব এলাকার বাঁধ ভেঙে যায়। এতে পুকুর সহ
সিলেট ও সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে। তবে এখনো বহু এলাকা নিমজ্জিত। সুরমা-কুশিয়ারার পানি এখনো সিলেটের চার পয়েন্টে বিপত্সীমার ওপরে। এদিকে বাংলাদেশে জাতিসংঘের (ইউএন) রেসিডেন্ট কো-অর্ডিনেটর জিন লুইস বলেছেন, সাম্প্রতিক
লালমনিরহাটে নিজ ঘরে ফিরতে না পারা বানভাসি মানুষের জীবন কাটছে ভাসমান অবস্থায়। এখনও ডুবে আছে তাদের ঘর-বাড়ি। তাই আশ্রয় হয়েছে নৌকা, কলাগাছের ভেলা, অন্যের বাড়ি এবং ওয়াপদা বাঁধের উপর। কাটছে