পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। তবে তীব্র শীতে দুর্ভোগে যাত্রী ও চালকসহ ফেরির মাস্টাররা। চলছে ছোট-বড় ১৬টি ফেরি। এতে ঘাট এলাকায় দুই শতাধিক যানবাহন থাকলেও তা-ও ঘাট এলাকার জন্য
ঘন কুয়াশার কারণে সাড়ে ৬ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল শুরু হয়েছে। সোমবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ফেরি চলাচল শুরু হয়। এতে মাঝ নদীতে যানবাহন
নতুন জাহাজ যুক্ত হলেও মান বাড়েনি সরকারি যাত্রীবাহী স্টিমার সার্ভিসের। প্রতিবছরই কমছে যাত্রী সংখ্যা। নেই পর্যাপ্ত বিনোদনের ব্যবস্থাও। গত তিন বছরে লোকসান গুণতে হয়েছে অনন্ত ১০ কোটি টাকা। অনিয়ম-অসঙ্গতির কথা
ঘন কুয়াশায় ২ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে বৃহস্পতিবার (২৮ জানুয়ারি) সকাল ৭টা থেকে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। মাঝ পদ্মায় যানবাহনসহ আটকেপড়া ৩টি ফেরিও গন্তব্যে ফিরেছে। বিআইডব্লিউটিসির এজিএম মো.
শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে ঘন কুয়াশায় সাড়ে ৪ ঘণ্টা বন্ধের পর ফেরি সার্ভিস বুধবার (২৭ জানুয়ারি) সকাল পৌনে ৭টা থেকে আবারও সচল হয়েছে। মাঝ পদ্মায় কয়েকশ’ যাত্রীভর্তি যানসহ আটকেপড়া ৩টি ফেরিও গন্তব্যে ফিরেছে। বিআইডব্লিউটিসির
শীতকালে ঘন কুয়াশার কারণে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল প্রায় প্রতিদিনই বিঘ্নিত হচ্ছে। কর্তৃপক্ষের হিসাব মতে প্রতি ২৪ ঘণ্টা ফেরি চলাচল বন্ধ থাকলে এই রুটের উভয় পাড়ে কম করে হলেও ৬০ লাখ