একসময় রাজশাহী অঞ্চলের সবচেয়ে খরস্রোতা ছিল নদী পদ্মা। তবে অনেক আগেই রূপ হারিয়েছে সেই নদী। কালের পরিক্রমায় এখন ঐতিহ্যটুকুও হারাতে বসেছে। বর্ষায় কিছুদিনের জন্য পদ্মায় পানি থাকলেও আষাঢ়-শ্রাবণ শেষেই কমতে
বিস্তারিত...
পদ্মা নদীর পানি বাড়তে শুরু করায় ভাঙন দেখা দিয়েছে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায়। গত এক সপ্তাহের ভাঙনে ৭ নম্বর ঘাট এলাকায় প্রায় ২০০ মিটার এলাকা নদীগর্ভে বিলিন হয়েছে। ভাঙন
হঠাৎ করেই ভাঙন দেখা দিয়েছে পদ্মা সেতুর বামতীর সংরক্ষণ প্রকল্প এলাকায়। দুই দিনে ১০টিরও বেশি বসতবাড়ি গাছপালাসহ নদীতে বিলীন হয়েছে। ঘরবাড়ি ভেঙে সরিয়ে নেয়ার সময়ও পাচ্ছেন না স্থানীয়রা। ভাঙন ঝুঁকিতে
পাবনার ঈশ্বরদীতে প্রমত্তা পদ্মা রুদ্ররূপ ধারণ করেছে। পদ্মার আগ্রাসী রূপে ৫ নম্বর সাঁড়াঘাটের বাসিন্দারা নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন। পদ্মার ভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে সরকারি অর্থায়নে নির্মিত মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র (মৎস্য সমিতির
পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলায় পদ্মা নদীর পানি অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পাচ্ছে। সোমবার (১৭ জুলাই) পাকশী হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে পানির উচ্চতা পরিমাপ করা হয় ১০ দশমিক ৩ মিটার। রোববার থেকে সোমবার ২৪ ঘণ্টার