1. badsha.dru@gmail.com : admi2017 :
  2. nadibandar2020@gmail.com : Nadi Bandar : Nadi Bandar
চালের চেয়েও ছোট পেসমেকার বানালেন মার্কিন বিজ্ঞানীরা - Nadibandar.com
সোমবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৫, ০৪:৪২ পূর্বাহ্ন
নদীবন্দর,ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৫
  • ৬ বার পঠিত

যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় অঙ্গরাজ্যের নর্থওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীরা বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষুদ্রাকৃতির পেসমেকার তৈরি করেছেন। পেসমেকারটির দৈর্ঘ্য ৩ দশমিক ৫ মিলিমিটার, প্রস্থ ১ দশমিক ৮ মিলিমিটার এবং পুরুত্ব ১ মিলিমিটার।

আকার-আকৃতিতে নতুন পেসমেকারটি একটি চালের কনার চেয়েও ছোটো। তবে কার্যকারিতার বিবেচনায় এটি বাজারে বর্তমানে প্রচলিত যে কোনো পেসমেকারকে টেক্কা দিতে পারে।

আমাদের হৃদপিণ্ড স্বাভাবিকভাবে প্রতি মিনিটে ৬০ থেকে ১০০ বার স্পন্দিত হয়। যদি এই স্বাভাবিক গতি না থাকে তাহলে গুরুতর অসুস্থতা এমনকি মৃত্যুও ঘটে। যাদের স্পন্দনজনিত সমস্যা রয়েছে, তাদের হৃৎপিণ্ডের সংকোচন ও প্রসারণ স্বাভাবিক রাখতে যে যন্ত্রটি ব্যবহার করা হয়, সেটিই পেসমেকার নামে পরিচিত।

বাজারে বর্তমানে যেসব পেসমেকার প্রচলিত, সেগুলো হৃদপিণ্ডে প্রতিস্থাপনের জন্য অস্ত্রোপচার বা সার্জারি প্রয়োজন হয়। কোনো কারণে যদি পেসমেকারের প্রয়োজন ফুরিয়ে যায়, তাহলে শরীর থেকে বের করার জন্যও অস্ত্রপোচার বা সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়; আর যেহেতু পেসমেকার একটি ব্যাটারিচালিত যন্ত্র, তাই ব্যাটারির মেয়াদ একসময় শেষ হয়ে যায় এবং তখন সেই ব্যাটারি রিচার্জ কিংবা নতুন ব্যাটারি স্থাপন করতে হয়। সেটিও বেশ ঝামেলাপূর্ণ এবং ব্যয়বহুল ব্যাপার।

চালের চেয়েও ছোটো নতুন যে পেসমেকারটি মার্কিন বিজ্ঞানীরা তৈরি করেছেন, সেটি সিরিঞ্জের মাধ্যমে হৃদপিণ্ডে প্রতিস্থাপন করা সম্ভব; অর্থাৎ এক্ষেত্রে কোনো অস্ত্রপোচারের প্রয়োজন নেই। যেহেতু পেসমেকারটি তারবিহীন, তাই বাইরে থেকে তারের মাধ্যমে এটি রিচার্জ করারও সুযোগ নেই।

নর্থওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানী দলটির প্রধান জন এ রজার্স জানিয়েছেন, পেসমেকারটিতে একটি গ্যালভানিক সেল রয়েছে। এই সেলটি একধরনের সরল ব্যাটারি এবং রাসায়নিক শক্তিকে বৈদ্যুতিক শক্তিতে রূপান্তরে সক্ষম।

হৃদপিণ্ডে প্রতিস্থাপনের পর চারপাশের বায়োফ্লুইডের সংস্পর্শে আসামাত্র পেসমেকারের গ্যালভানাজিং সেল সক্রিয় হয় এবং পেসমেকারটিও কাজ শুরু করে।

এএফপিকে জন এ রজার্স বলেন, “এমন অনেক রোগী আছেন, যাদের হৃদপিণ্ডের সমস্যা রয়েছে এবং পেসমেকারও প্রয়োজন—কিন্তু অস্ত্রোপচার তাদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। এছাড়া বিশ্বের একশতাংশেরও বেশি শিশু হৃদপিণ্ডের সমস্যা নিয়েই জন্মগ্রহণ করে। অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তাদের দেহে পেসমেকার স্থাপন অসম্ভব। তাই আমরা এমন একটি যন্ত্র চাইছিলাম, যা কোনোপ্রকার জটিলতা ছাড়াই মানবদেহে প্রবেশ করানো সম্ভব। আমাদের আশা, এটি চিকিৎসাক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দেবে।”

সূত্র : এএফপি

নদীবন্দর/এএস

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2020 Nadibandar.Com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com