পদ্মা নদীর পানি কমে স্রোত বৃদ্ধি পাওয়ায় ভাঙন দেখা দিয়েছে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দেবগ্রাম ইউনিয়নের মুন্সী বাজার কাউলজানি এলাকায়। গত কয়েকদিনের ভাঙনে বিলীন হয়েছে ওই এলাকার বেশ কয়েকটি বসতবাড়িসহ প্রায়
টানা বৃষ্টিতে চাঁদপুরে পদ্মা-মেঘনা নদীর পানি কিছুটা বেড়েছে। মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) দিনগত রাত ১২টা থেকে বুধবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত ৭১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে। বৃষ্টির কারণে জনজীবন অনেকটা স্থবির হয়ে
যমুনার ভাঙন ও পানিবন্দীর কারণে ভোগান্তি নিয়েই বসবাস করছে যমুনার কোলঘেষা সিরাজগঞ্জের পাঁচটি উপজেলার ৩৪ ইউনিয়নের লক্ষাধিক মানুষ। পানি কিছুটা কমলেও এখনো বিপদসীমার ১১ সে.মিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় হাজার
টাঙ্গাইলে নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করলেও যমুনা, ঝিনাই ও ধলেশ্বরী নদীর পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে ৬ উপজেলার ১২৩ গ্রামের ৫২ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে।
উজানের ঢল ও গত কয়েকদিনের ভারী বর্ষণে রাজবাড়ী জেলার সকল নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া পয়েন্টে পদ্মা নদীর পানি ৭ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ৪ সেন্টিমিটার উপর
সিরাজগঞ্জে চৌহালীতে তীব্র আকার ধারণ করেছে যমুনার ভাঙন। গত কয়েকদিন ধরে তীব্র স্রোতে উপজেলার ভূতের মোড় এলাকা থেকে ময়নাল সরকারের পারিবারিক কবরস্থান পর্যন্ত ধসে গেছে। এতে বেশ কয়েকটি কাফনে মোড়ানো